Home Made Khati Ghee

Availability :
In Stock
বর্তমানে অনলাইনের জগতে হোমমেড "ঘি" অনেক জায়গায় পাওয়া গেলেও স্বাদ টা কিন্তু মন মতো হয় না। বা ঘ্রাণ টা ঠিক আসল ঘি এর মতো হয় না। ঘি বানানোর জন্য প্রয়োজন দক্ষতা,অভিজ্ঞা। যারা দীর্ঘ দিন ধরে ঘি বানিয়ে অভ্যস্ত শুধু মাএ তারাই জানেন কোন কোন পন্থা অবলম্বন করলে ঘি দানাদার হবে এবং স্বাদ,গন্ধ বজায় থাকবে।
৳ 700 ৳ 750
Qty :

Product details of Home Made Khati Ghee

  • বর্তমানে অনলাইনের জগতে হোমমেড "ঘি" অনেক জায়গায় পাওয়া গেলেও স্বাদ টা কিন্তু মন মতো হয় না। বা ঘ্রাণ টা ঠিক আসল ঘি এর মতো হয় না। ঘি বানানোর জন্য প্রয়োজন দক্ষতা,অভিজ্ঞা। যারা দীর্ঘ দিন ধরে ঘি বানিয়ে অভ্যস্ত শুধু মাএ তারাই জানেন কোন কোন পন্থা অবলম্বন করলে ঘি দানাদার হবে এবং স্বাদ,গন্ধ বজায় থাকবে।আমার কাছে পাচ্ছেন একেবারেই পেশাদার হাতে বানানো সাতক্ষীরার আসল ঘি।এর স্বাদ এবং গন্ধের কারনে কাস্টমার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।আমার গোল্ড কাস্টমার গুলোর প্রচুর রিভিউ আছে facebook গ্রুপে এবং পেইজে আলহামদুলিল্লাহ্‌।অর্ডার করতে ইনবক্স করুন পেইজ মেসেজেখাঁটি ঘি পাওয়া সম্ভব?জী খাঁটি ঘি এখনও পাওয়া সম্ভব এবং তা কেনার জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না আমাদের থেকে অর্ডার করতে পারবেন ভালমানের ঘি। এই ভেজালপূর্ন বাজারেও সর্বোৎকৃষ্ট খাটি ঘি আপনাদেরকে দেওয়ার চেস্টা করছি ইনশা আল্লাহ্‌, ঘি যা ছোট থেকে বড় সকলের খাবারেই তোমাকে ব্যবহার করা যায়,তোমাকে দিয়ে করা যায় শত রকমের রান্না,খুশি হয়ে সকলে চোখে এনে দাও কান্না।ঘি দিয়ে ভাজা গরম গরম পরোটা যেন মনে হয় অমৃত।ঘি বিহীন কিটো ডায়েট প্রায় অসম্ভব।এ সবই খাটি ঘি এর যাদু এবং এই খাটি ঘি ব্যবহার করে এর যাদুর পরশ নিতে চাইলে ইনবক্সে অর্ডার করে বুঝে নেন আপনার ঘি এর যাদু। ঘি এর উপকারিতাঘি’র উপকারিতা বহুমুখী। আমরা হয়তো সবগুলো উপকারী দিক সম্পর্কে অনেকেই জানি না। ১. স্ফুটনাঙ্ক: ঘি’র স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত তাপে ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।২. নষ্ট হয় না: ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঘি’র গুণাগুণ ঠিক থাকে।[ভেজাল ঘি অল্প কয়েকদিনে নস্ট হয়]৩. স্বাদ ও গন্ধ: ঘি’র সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ ভোজনবিলাসীদের সবসময়ই টানে। আবার অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।৪. ভিটামিন: ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ই’ থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।৫. কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড: এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।৬. ওজন ও এনার্জি: ঘি’র মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলেট দৌড়নোর আগে ঘি খান। ঘিবখেলে ওজনও কমে যায়।৭. হজম ক্ষমতা: ঘি’র মধ্যে আছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।৮. রোগ প্রতিরোধ: বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।৯. খিদে বাড়ায়: হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খেলে খিদে বাড়ে এবং ক্ষুধামন্দা কমে যায়।১০. পজিটিভ ফুড: বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে সুপরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।

Customer Reviews